By using this site, you agree to the Privacy Policy and Terms of Use.
Accept
Sign In
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • ইউরোপ
  • বাংলাদেশ
IBN-News-Logo-Blue IBN-News-Logo-Blue
  • হোম
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
    • ইউরোপ
    • এশিয়া
    • আফ্রিকা
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • উপমহাদেশ
    বিশ্বShow More
    বাংলাদেশে বার নির্বাচনে বাঁধার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইউরোপীয় বার কাউন্সিলের উদ্বেগ প্রকাশ

    বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতি এবং সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে অনিয়ম, বাধা…

    2 Min Read
    উত্তর রাখাইনে মানবিক বিপর্যয়ে রোহিঙ্গা: আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে গণহত্যার আন্তর্জাতিক অভিযোগ জোরালো

    হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) জানায়, আরাকান আর্মি নিয়ন্ত্রিত উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর…

    2 Min Read
    বাংলা এক অত্যন্ত সৌভাগ্যবান রাজ্য: টুরিয়া টকসে জয় বড়ুয়া 

    বাংলা এক অত্যন্ত সৌভাগ্যবান রাজ্য। এখানে শিক্ষা, মানুষ, এমন চিন্তক জন্মেছেন। যারা…

    2 Min Read
    আরব আমিরাতে ভিসা সংকট: মারাত্মক হুমকির মুখে  বাংলাদেশি শ্রমবাজার

    নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায়…

    2 Min Read
    যে কারণে ‘আলাস্কা’ বিক্রি করে দেয় রাশিয়া

    ১৮৬০ এর দশকের গোড়ার দিকে জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন,…

    4 Min Read
  • অর্থনীতি
  • আইবিএন এক্সক্লুসিভ
  • স্পোর্টস
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবাসী বাংলাদেশী
  • এডুকেশন
  • ফ্যাশন
  • মতামত

Archives

  • May 2026
  • April 2026
  • March 2026
  • February 2026
  • January 2026
  • December 2025
  • November 2025
  • October 2025
  • September 2025
  • August 2025
  • July 2025
  • June 2025
  • May 2025

Categories

  • অর্থনীতি
  • আইবিএন এক্সক্লুসিভ
  • আফ্রিকা
  • ইউরোপ
  • উপমহাদেশ
  • এডুকেশন
  • এশিয়া
  • প্রবাসী বাংলাদেশী
  • প্রযুক্তি
  • ফ্যাশন
  • বাংলাদেশ
  • বিনোদন
  • বিশ্ব
  • মতামত
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • সম্পাদকীয়
  • স্পোর্টস
Reading: আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা, প্রয়োজন ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধি –অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন
Share
IBN NewsIBN News
Font ResizerAa
  • অর্থনীতি
  • আইবিএন এক্সক্লুসিভ
  • এডুকেশন
  • প্রবাসী বাংলাদেশী
  • ফ্যাশন
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • আফ্রিকা
  • ইউরোপ
  • উপমহাদেশ
  • এশিয়া
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • মতামত
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • সম্পাদকীয়
  • স্পোর্টস
Search
  • Home
  • Categories
    • অর্থনীতি
    • আইবিএন এক্সক্লুসিভ
    • এডুকেশন
    • প্রবাসী বাংলাদেশী
    • ফ্যাশন
    • বাংলাদেশ
    • বিশ্ব
    • আফ্রিকা
    • ইউরোপ
    • উপমহাদেশ
    • এশিয়া
    • মধ্যপ্রাচ্য
    • মতামত
    • যুক্তরাষ্ট্র
    • সম্পাদকীয়
    • স্পোর্টস
  • More IBN
    • Sitemap
Have an existing account? Sign In
Follow US
© 2025 IBN News, IBN Inc. All Rights Reserved.
Home » আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা, প্রয়োজন ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধি –অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন
বাংলাদেশমতামত

আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা, প্রয়োজন ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধি –অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন

১৯৭৫ এর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বশূণ‍্য হয়ে পড়ে। দলের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি দেখা দেয়। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবে সুখের বিষয় যে, আওয়ামী লীগ এখনো এক ও ঐক্যবদ্ধ এবং এই দলের এক ও অবিসাংবাদিত নেতা শেখ হাসিনা। মহান আল্লাহ পাকের মেহেরবান যে তিনি এখনো জীবিত আছেন। মহান‍ আল্লাহ পাক তাঁকে জীবিত রেখেছেন নিশ্চয়ই কোনো বিশেষ কারণে। সুতরাং বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। পঁচাত্তরে দীর্ঘ ২১ বছর লেগেছে। এখন এতদিন লাগবে না বলে আমার বিশ্বাস।

IBN-News-Logo-Blue
Last updated: May 6, 2026 01:33
By
IBN News
IBN-News-Logo-Blue
ByIBN News
WE Are love for news
Follow:
Share
SHARE

অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন: আওয়ামী লীগের উপর ঝড় জাপটা এসেছে তা নতুন নয়। তবে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের উপর যে সুনামি আসে তা থেকে এখনো পরিত্রাণ পাওয়া যায়নি । এখনো আওয়ামী লীগের বহু নেতা ও কর্মীরা প্রাণের ভয়ে বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছেন বা হিজরত করেছেন। প্রাণের ভয়ে হিজরত করা মোটেও লজ্জার নয়। প্রায় ১৪০০ বছর আগে ৬২২ খৃষ্টাব্ধে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সঃ) জীবন বাঁচাতে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করেন এবং দীর্ঘ দশ বছর পর মক্কা বিজয় করে স্বদেশে ফিরে আসেন । মক্কাবাসী তাঁকে উলুধ্বনি দিয়ে স্বাগতম জানায়।

সুতরাং দুঃচিন্তার কোনো কারণ নেই। আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে। তবে কখন কবে তা বলতে পারি না। ফিরে আসার সময় নির্ভর করবে বর্তমান সরকারের শাসনের ওপর, তাদের অপকর্ম ও অব‍্যবস্থপনার ওপর । তাছাড়া বিশেষভাবে দেশের অভ্যন্তরে আওয়ামী লীগ দলের কর্ম তৎপরতার উপর। এখনে উল্লেখ‍্য যে বিদেশী সরকারসমূহ বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ আওয়ামী লীগকে স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তনে খুব একটা সাহায্য করবে না, দেশের অভ্যন্তে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ও আন্দোলন যত শক্তিশালী হবে ততই তাদের প্রাতাবর্তন সহজ হবে, ত্বরান্বিত হবে।

১৯৭৫ থেকে এখন অনেক সম্ভাবনাময়

তবে নির্দ্বিধায় বলা যায় যে ১৯৭৫ সালের থেকে এখন আওয়ামী লীগের অবস্থান অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী ও সম্ভাবনাময়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার দীর্ঘ ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। তবে এখন এতদিন অপেক্ষা করতে হবে না। দেশের জনগণই নিজেদের তাগিদে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় ডেকে আনবে। তবে ধৈর্য্য ধরতে হবে, আত্মশুদ্ধি করতে হবে। দলের মধ্যে সংস্কার যেমন প্রয়োজন এবং সাম্প্রতিক ভরাডুবির যথার্থ কারণ নির্নয় করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যে সমস্ত অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচার করা হচ্ছে তার যথাযথ উত্তর দিতে হবে। যে সমস্ত অভিযোগ বানোয়াট তা কেন বানোয়াট তা যুক্তি দিয়ে খন্ডাতে হবে। যে সমস্ত অভিযোগের সত্যতা আছে সেগুলো যাচাই বাছাই করে তা স্বীকার করে নিয়ে যারা এর জন্য দায়ী তাদের শাস্তি দিতে হবে এবং আগামীতে যেন এমন না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

আমি মনে করি দেশের প্রত‍্যকটি বড বড় বিষয় ও ঘটনার উপর দেশের জনগণকে সঠিক তথ্য জানানোর জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে পৃথক পৃথক শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত । যেমন ২৩৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার বিষয়ক বানোয়াট অভিযোগ অথবা বিগত পাতানো নির্বাচন নিয়ে কিংবা ঘুম-খুন-হত্যা, নির্যাতন, ড. ইউনূসের আয়নাঘর (আয়নাঘরে ১০ বছর বন্দি অবস্থায় এক ব‍্যাক্তির ৬ বছরের শিশু সন্তানের জন্ম এবং দশ বছরে একটি গামছা যা তিনি ব্যবহার করেছেন বলে দাবি করেন তা এখনো এক্কেবারে নতুন রয়েছে যা আমরা টেলিভিশনে দেখেছি (সেই গামছা কোম্পানিকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা উচিত) ও জেহাদী অপতৎপরতা এবং সন্ত্রাসী মব কালচার ইত্যাদির উপর বস্তুনিষ্ঠ শ্বেতপত্র প্রকাশ করা একান্ত প্রয়োজন।

আওয়ামী লীগ হচ্ছে জনগণের দল, জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তি

আওয়ামী লীগ হচ্ছে জনগণের দল এবং জনগণই হচ্ছে আওয়ামী লীগের শক্তি। জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা, জনগণের প্রত্যাশা, তাদের সার্বিক কল্যাণ এবং দেশের মঙ্গল চরিতার্থ করার অন‍্য নাম হচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ হচ্ছে একটি শক্তিশালী চেতনা, হুদয়ের প্রতিধ্বনি। সুতরাং যতদিন মানুষের দুঃখ দুর্দশা থাকবে, যতদিন মানুষের আশা আকাঙ্খা থাকবে, যতদিন মানুষের প্রত্যাশা পুরণ না হবে, ততদিন মানুষের হৃদয়ে আওয়ামী লীগ ঠিকে থাকবে। আওয়ামী লীগের মৃত্যু নেই। মানুষের চাওয়া পাওয়ার অধিকার ও অপ্রাপ্তি বাড়ার সাথে সাথেই আওয়ামী লীগ সোচ্চার হয়ে উঠবে। পূর্ব বাংলার হাজার বছরের চাওয়া পাওয়া এবং অধিকার আদায়ের সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন করে এবং দেশের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করে, দেশের বিভিন্ন রকমের চাহিদা পূরণ করে আওয়ামী লীগ পর পর চারবার সরকার গঠন করে এদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে এবং একে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত করে ।

২০২৪-এর সুনামি: ঘরে ডাকাত ঢুকার মতো

২০২৪-এর জুলাই-এ আওয়ামী লীগের উপর সুনামি আঁচড় করেছে। বাড়ীতে ডাকাত ঢুকলে জিনিসপত্র খোয়া যায়, বাড়ির কোনো কোনো লোকজনকে বা দারোয়ানকে (পুলিশকে) খুন করে ডাকাতদল লুটপাট করে পালিয়ে যায়, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।

ছোটবেলায় বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর জন্য মা-দাদীরা “বর্গীর ভয় দেখিয়ে” ছড়া গাইতেন। বঙ্গভূমে সময় সময় বর্গীর আক্রমণ স্বাভাবিক ছিল— তারা সাজানো গোছানো সংসারকে তছনছ করে লুটপাট করতো। গোলায় ধান পুকুরের মাছ সংসারের ধনসম্পদ ডাকাতি করে পালিয়ে যেত, ছব্বিশের তথাকথিত আন্দোলনে তাই হয়েছে। তবে ১৯৭৫ থেকে বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর ভবিষ্যত আরো অধিকতর উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময়।

১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বশূন‍্য ছিল, এখন ঐক্যবদ্ধ 

  ১৯৭৫ এর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বশূণ‍্য হয়ে পড়ে। দলের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি দেখা দেয়। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তবে সুখের বিষয় যে, আওয়ামী লীগ এখনো এক ও ঐক্যবদ্ধ এবং এই দলের এক ও অবিসাংবাদিত নেতা শেখ হাসিনা। মহান আল্লাহ পাকের মেহেরবান যে তিনি এখনো জীবিত আছেন। মহান‍ আল্লাহ পাক তাঁকে জীবিত রেখেছেন নিশ্চয়ই কোনো বিশেষ কারণে। সুতরাং বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি। পঁচাত্তরে দীর্ঘ ২১ বছর লেগেছে। এখন এতদিন লাগবে না বলে আমার বিশ্বাস ।

১৯৭১ সালের মতো বর্তমানে প্রবাসে বাংলাদেশের এক বিরাট সংখ্যক জনগোষ্ঠী আওয়ামী লীগ সমর্থক যা ১৯৭৫ ছিল না।

১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে প্রবাসী বাঙালীরা বিশেষ করে ইংল‍্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাঙ্গালীরা অত‍্যন্ত জোরালো ভুমিকা রাখেন। যার ফলে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষে অবস্থান নেয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন নিক্সন-কিসিঞ্জার সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল। কিন্তু মার্কিন আইন সভার সদস‍্য ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও গায়করা বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন । তখনকার স্বল্পসংখ‍্যক প্রবাসী বাঙালীদের হরেক রকম উদ্যোগে বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশের ন্যায্য দাবীর প্রতি তাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট করতে সহায়কের ভূমিকা পালন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রণেতারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ও সিনেটে বাংলাদেশের স্বপক্ষে জোরালো বক্তব্য প্রদান করেন যার ফলশ্রুতিতে পাকিস্তানে যুদ্ধাস্র পাঠানো বেআইনি বলে আইন পাশ হয়।

তবে ১৯৭৫ সালে এমন অবস্থা ছিল না। ১৯৮১ সালে আমি যখন বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য বস্টনে “কমিটি ফর ডিমোক্রেটিক বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠা করি, তখন বাংলাদেশের সামরিক সরকার পিও ওড়ার-৯ এর আদেশে আমাকে অন‍্যায়ভাবে সরকারী চাকরিতে থেকে পদচ্যুত করে তখন হাতেগুণা দু-তিন জন ছাড়া কোনো সমর্থক ছিলনা। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বলে কোনো দল ছিল না। ১৯৮১ থেকে দীর্ঘ সাত বছর লেখালেখির মাধ্যমে, ব‍্যাক্তি উদ্যোগে Bangladesh News বুলেটিন প্রকাশের মাধ্যমে মার্কিন মুলুকের প্রভাবশালীদের দৃষ্টি আকর্ষণে স্বক্ষম হই। ১৯৮৮ সালে এরশাদ সরকারের অপকর্ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনগ্রেসে “বাংলাদেশের উপর একটি শোনানী” আয়োজন করতে স্বক্ষম হই। সে শোনানী আয়োজনে দুজন আমাকে পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করেছিলেন এবং তারা হচ্ছেন বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং এক সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক মুনিরুল ইসলাম এবং অন্যজন বর্তমানে বাংলাদেশের নামকরা আইনজীবী ড. স্বাধীন মালিক। তখন তিনি ও তার স্ত্রী বস্টনে পিএইচডি ডিগ্রির জন্য পড়াশুনা করছিলেন। তবে বর্তমানে সেই দৈন‍্যাবস্থা নেই। এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগের সমর্থক ও বিত্তবান ব্যক্তিদের অভাব নেই। যেহেতু তারা এই সমস্ত দেশের নাগরিক সুতরাং তাদের হাত অনেক লম্বা ও শক্তিশালী । তারা চাইলে অনেক কিছুই করতে পারেন । সেজন‍্য বলছিলাম, বর্তমানের অবস্থা ১৯৭৫-৮০ সাল থেকে অনেক অনেক সহায়ক। আন্তরিক ভাবে কাজ করলে জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

তাছাড়া বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় যে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিরাট সংখ্যক আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা রয়েছেন। ইউনূস সরকারের অপকর্ম, দুর্নীতি, বিচারের নামে প্রহসন, লুটপাট এবং যথেচ্ছাচারিতার কারণে আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের সমর্থন অনেক বৃদ্ধি পায়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ যে যেখানে আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিল ৩৬% থেকে ৪৮%;শতাংশ তা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ৬০% শতাংশ হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার জরিপ অনুযায়ী গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে শর্তসাপেক্ষে যদি নির্বাচন করতে দেয়া হতো তাহলে শতকরা ৬৯% শতাংশ জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিতো। নিরপেক্ষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতে যাবে সেই ভয়ে অবৈধ ইউনূস সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে এবং নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়নি।

তবে দুঃখের বিষয় যে বাংলাদেশের জনগণ নিষেধাজ্ঞা মেনে নিলো? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবছরে মিডটার্ম নির্বাচন হবে এবং মনে করা হচ্ছে যে, এ নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি জয়ী হবে এবং তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইমপিচ করার প্রস্তাব আনতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের পরাজিত করার চেষ্টায় যদি মব কালচারের জনক ড. ইউনূস সরকারের মতো ডিমোক্রেটিক পার্টিকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পাতানো নির্বাচন করতে আদেশ জারি করেন তাহলে এদেশের জনগণ এমনকি তার নিজের দল রিপাবলিকান পার্টি তা অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করবে। তবে বাংলাদেশ সব সম্ভবের দেশ— আজও তাই সেলুকাশের কথাই সত্য বলে মনে হয়?

শেখ হাসিনার অর্জন অভাবনীয়

তাছাড়া শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশের অর্জন এবং উন্নয়ন অভাবনীয়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাংলার ভূখণ্ডে যুগে যুগে বহু নেতা নেত্রীর জন্ম হয়েছে, অনেক ত্যাগী নেতা সৃষ্টি হয়েছে কিন্তু বঙ্গবন্ধুই হচ্ছেন একমাত্র নেতা যিনি একটি নির্জীব পরাধীন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাঙালি জাতিসত্তার চেতনা সৃষ্টি করে বিশ্বের মানচিত্রে লালসবুজের এক স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেজন্য তাকে বিভিন্ন ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে যা ইতিহাসে বিরল । উল্লেখ্য যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁর কন‍্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই জাতিকে বিশ্ব দরবারে অত্যন্ত মর্যাদার আসনে সমাসীন করে গেছেন। শেখ হাসিনা দরিদ্র ক্লিস্ট দূর্যোগপূর্ণ বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে একে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করেন এবং দেশের দারিদ্র্যের হার অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনেন। তিনি দেশকে একটি সম্ভাবনাময় দেশ, a vibrant economy and a land of opportunity হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত ও অতি দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা অর্থাৎ একটা উন্নত সমৃদ্ধশালী স্থিতিশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন যেখানে অন্ন-বস্ত্র-শিক্ষা-স্বাস্থ্য সেবা সবার জন্য নিশ্চিত হবে। তবে জুলাইয়ের আন্দোলনে সেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে বলে মনে হয় না। জুলাই এর আন্দোলন বাংলাদেশকে অনেক পিছনে ঠেলে দিয়েছে। বাঙ্গালীদের দুর্ভাগ্য যে সেসব উদ্যোগ ও পরিকল্পনা আজও স্বপ্নই রয়ে গেল।

বস্তুত শেখ হাসিনার অবদান কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। সুতরাং আওয়ামীলীগের গর্ব করার ইতিহাস ও অর্জন উজ্জ্বল ও সম্মানের। এমতাবস্থায় আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ অনেক বেশি। তবে যাত্রাপথ পংকিল। কারণ মানুষের মন-মানসিকতায় বিপুল পরিবর্তন এসেছে। সারা দুনিয়া জুড়ে স্বার্থপরতা ও বিদ্বেষ অনেক বেড়েছে। সুতরাং এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা । বস্তুত তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা প্রস্তুত। তারা সঠিক দিকনির্দেশনা ও বিশ্বাসযোগ্য নেতৃত্বের অপেক্ষায় আছে।

মোটাদাগে আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, কয়েক হাজার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবিতে সকল দেশপ্রেমিক জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান এখন সময়ের দাবি। নব গঠিত তারেক রহমান সরকার এগুলো নিশ্চিত না করলে, প্রত‍্যহার না করলে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হবেন এবং তার ফলে আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হবে না এবং ইউনূস সরকারের লুটপাটে দেশের দেউলিয়া-প্রায় অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কলকারখানা চালু হবে না। বিনিয়োগ আসবে না, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। দারিদ্র্য দূর হবে না। ফলশ্রুতিতে আন্দোলন গড়ে উঠবে।

ভাড়াটে ইউনুস সরকার বিভিন্ন ছলচাতুরি ও চুক্তির মাধ্যমে দেশকে বিক্রি করে গেছে এবং তারেক রহমান সরকারের জন্য নতুন নতুন বিপদ ও চ্যালেঞ্জ রেখে গেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার জন্য দেশের সকল দল ও মতের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা একান্ত প্রয়োজন এবং সেজন্য বিএনপি সরকারকে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে দেশে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা একান্ত অপরিহার্য। নতুবা তারেক রহমানের সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব‍্যার্থ হয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হতে পারেন। তাঁর সরকারের স্থায়ীত্বের জন্য প্রয়োজন সকল দল ও মতের ব্যক্তিদের নিয়ে দেশ গঠনে উদ্যোগ নেয়া। এর বিকল্প কিছু আছে বলে আমার জানা নেই।

লেখক: অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

(এই লেখার যাবতীয় দায় লেখক নিজের)

Subscribe to Our Newsletter
Subscribe to our newsletter to get our newest articles instantly!
TAGGED:আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাপ্রয়োজন ধৈর্য ও আত্মশুদ্ধি –অধ্যাপক ড. এ কে আব্দুল মোমেন
Share This Article
Facebook Whatsapp Whatsapp Email Copy Link Print
IBN-News-Logo-Blue
ByIBN News
Follow:
WE Are love for news
Previous Article বেনাপোলে সাংবাদিক রাব্বির উপর সন্ত্রাসী হামলাকারীরা প্রকাশ্যে, নিউজ পোর্টাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্বেগ
Next Article যশোরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও চাঁদা দাবি: বিতর্কিত ডা. রাফসান জানি ও এনসিপি নেতা জিয়াদের বিরুদ্ধে মামলা
Leave a Comment

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Editor's Pick

Top Writers

Oponion

You Might Also Like

প্রবাসী বাংলাদেশীবাংলাদেশ

মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় জাতীয় ঐক্য এখন সময়ের দাবি’—প্রখ‍্যাত সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ খান

‘মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় জাতীয় ঐক্য এখন সময়ের দাবি’এ কথা বলেছেন প্রধান অতিথির বক্তব্য সিরাজুল আলম খান ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান ও…

4 Min Read
বাংলাদেশ

বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী : ওবায়দুর রহমান 

নিজস্ব সংবাদদাতা: আগামীকাল ৮ মে (শুক্রবার) বিকল্পধার বাংলাদেশের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০০৪ সালের ৮ মে বিকল্পধারা প্রতিষ্ঠা করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক…

4 Min Read
মতামত

আওয়ামী লীগের ইতিহাস বাঙালী জাতির ইতিহাস আর এই ইতিহাসের মহানায়ক হচ্ছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু

মোহাম্মদ মকিস মনসুর: আওয়ামীলীগ মানেই বাংলাদেশ ; আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি জাতির ইতিহাস ; আর ইতিহাসের মহানায়ক হচ্ছেন জাতির জনক…

12 Min Read
বাংলাদেশযুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ দূতাবাস ওয়াশিংটন ডিসিতে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন

হাকিকুল ইসলাম খোকন: ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৫ জুলাই ২০২৫, শুক্রবার, ‘July Beyond Borders’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম…

1 Min Read
IBN-News-Logo-Blue IBN-News-Logo-Blue

EDITOR INFO

Editor-In Chief: Hakikul Islam Khokan
Editor & Publisher: Aysha Akter Ruby
Executive Editor: Sehly Parveen
Associate Editor: Mir Dinar Hossain

OFFICE ADDRESS

Address: 25-52, 38Th Street, Suite#3-D, Astoria, New York, NY-11103-4221, USA
Phone: +1 718-726-2764, Cell: +1917-837-4700, +1 929-395-9591
Email: ibnnews24@yahoo.com & nybdnews@yahoo.com,
web: www.ibnnews24.com
  • About us
  • Contact
  • Privacy Policy
  • Terms of Use
  • Advertise

Subscribe

  • YouTube
  • Facebook
  • X

© 2026 IBN News, IBN Inc. All Rights Reserved.

Join Us!
Subscribe to our newsletter and never miss our latest news, podcasts etc..
Zero spam, Unsubscribe at any time.
Go to mobile version
IBN-News-Logo-Blue IBN-News-Logo-Blue
Welcome Back!

Sign in to your account

Username or Email Address
Password

Lost your password?